এই ৫০০০০ অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ধরে বেঁধে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে কে ?

এই ৫০০০০ অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ধরে বেঁধে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে কে ?

মিলনের হুজুগে বিপন্ন সার্বভৌমত্ব | অনুপ্রবেশ সম্পর্কে এই উদাসীনতা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হিন্দুকে শেষ করবে | 

~উপানন্দ ব্রহ্মচারী

টাকিতে ইছামতীতে চলছে প্রতিমা বিসর্জন।

“[আবহাওয়া ছিল উৎসবের। কিন্তু প্রশাসনের গা ছাড়া মনোভাবের সুযোগ নিয়ে তা পরিণত হল চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলায়। অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে লুঠপাট, তোলাবাজি, চুরি-ছিনতাইয়ের অবাধ ক্ষেত্র হয়ে উঠল শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে বিসর্জন উপলক্ষে দুই বাংলার মিলনোৎসব।

বিএসএফ, পুলিশ-প্রশাসনের চোখের সামনেই ট্রলার বজরা, লঞ্চ, ভুটভুটি ও ছোট নৌকা বোঝাই করে এ দিন ওপার থেকে আসা প্রচুর মানুষ ঢুকে পড়লেন এ পারে। এ পারে প্রচুর মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তাতেই চলল মদের আসর। চলল লুঠপাট, চুরি-ছিনতাই। শ্লীলতাহানির শিকার হলেন অনেকে। এক সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিও চালাতে হয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাঁরা শান্তিতে দুই বাংলা মিলনের উৎসব প্রত্যক্ষ করতে এসেছিলেন এমন পরিস্থিতিতে পড়ে প্রাম বাঁচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তাঁরা। এমনকী অনেকের বিসর্জন দেখার ইচ্ছা থাকলেও ভয়ে ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের এবং বিএসএফের এ হেন গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ টাকির মানুষ দুই বাংলার মিলনের নামে এমন বিশৃঙ্খলা বন্ধ করার দাবিও তুলেছেন। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁরা জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা। টাকির ইছামতী নদীর বিভিন্ন ঘাটে তখন জমিদার বাড়ির প্রতিমা, বারোয়ারি প্রতিমা আনা হচ্ছে বিসর্জনের জন্য। ওপার থেকে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে, “একটু পরেই দুই বাংলা মিলবে। এই মুহূর্তটা আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের, গর্বের। আনন্দে সামিল হোন আপনারা। ঘোষণা শেষ হওয়ার আগেই দেখা গেল, ট্রলার, বজরা, লঞ্চ, ভুটভুটি ও ছোট নৌকা এদিকে আসতে শুরু করেছে। সবকটিতেই বোঝাই মানুষ। এ পারে ভিড়তেই হুড়মুড়িতে নেমে পড়লেন তাঁরা। পরের পর মানুষ বোঝাই নৌকা। যেন বিরাম নেই। নদীতে যথারীতি টহল দিচ্ছে বাংলাদেশ রাইফেলস এবং বিএসএফের স্পীডবোট। দুই পারেই রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ। কিন্তু নজর রাখা ছাড়া আর কিছুই করছেন না তাঁরা। যে দিকে তাকানো যায় শুধুই মানুষ। প্রতিমা তেমন চোখে পড়ল না।

এই দৃশ্য টাকিতে নতুন নয়। প্রতি বছর পুজোয় বিসর্জনে এটাই দেখা যায়। তবে, এ বার যেন ছিল লাগামছাড়া। কেন এতটা উন্মুক্ত সীমান্ত?

প্রতিমা নিরঞ্জনের আনন্দে সামিল হয়েছিলেন ওপারের সাতক্ষীরা জেলার দেভাটা, শাকদা, ভাতশালা গ্রামের করিম মোল্লা, লায়লা বিবি, খগেন মণ্ডল, মালবিকা মিস্ত্রীরা। তাঁদের কথায়, প্রতিবারই এমনটা হয়। তবে এ বার মানুষ বেশি এসেছেন বিজয়ার আনন্দে সামিল হতে। তবে এই সামিল হওয়ার ধাক্কায় এ পারে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে প্রশাসনিক পরিকাঠামো। ভিড়ের মধ্যে অবাধে চলতে থাকে চুরি-ছিনতাই, লুঠপাঠ। বিভিন্ন জায়গায় বসে যায় মদের আসর। শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে। আতঙ্কে অনেকে বাড়ি ফিরে যান। যাঁরা পরে বেরোবেন ভেবেছিলেন, তাঁরাও সব শুনে আর বাড়ি থেকে না বেরোনোর সিদ্ধান্ত নেন।

ওপার থেকে নৌকাবোঝাই করে আসা লোকজন আর ফিরে যায় নি |

টাকি নাগরিক কমিটির সম্পাদক এবং কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অজয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “দোকানে ঢুকে লুঠপাট, মারামারি করা হল। যত্রতত্র নোংরা আবর্জনায় ভরে গেল। এই অত্যাচার সহ্য করা যায় না। পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা ছিল নীরব দর্শকের। আর এরই সুযোগ নিয়ে মৈত্রীর নামে এ দেশে ঢুকে পড়ল হাজার হাজার মানুষ। এটা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। এমনটা যাতে আর না ঘটে সে জন্য আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছি।” টাকির পুরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা চাই না প্রতিমা নিরঞ্জনের নামে এমন অনুপ্রবেশ ঘটুক। পুলিশ-বিএসএফের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীদের অত্যাচার সীমা ছাড়ায়। বিষয়টি আমরা দিল্লিতে জানাব।”

এ ব্যাপারে বিএসএফের জনসংযোগ দফতরের (দক্ষিণবঙ্গ) এক আধিকারিক জানান, এ দিন নদীতে বিএসএফের যথারীতি টহলদারি ছিল। বিসর্জন দেখতে বাংলাদেশের প্রচুর মানুষ ইছামতীতে নৌকা নিয়ে নেমে পড়েছিলেন। এ পারে কেউ আসেননি। তবে অনুপ্রবেশের অভিযোগ যখন উঠেছে, তখন বিষয়টি অবশ্য তদন্ত করে দেখা হবে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করে বসিরহাটের এসডিপিও আনন্দ সরকার বলেন, “আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। তবে অন্যবারের চেয়ে এ বার বেশ ভিড় হয়েছিল। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখা হবে।”]”

~এই ছিল ৮ই অক্টোবরের (২০১১) আনন্দবাজার পত্রিকার মোটামুটি নিরপেক্ষ প্রতিবেদন |  শিরোনাম : ভিড়ের সুযোগ নিয়ে লুঠপাট-শ্লীলতাহানি, উঠল অনুপ্রবেশের অভিযোগও : টাকিতে বিসর্জনে বিশৃঙ্খলা নিয়ে অভিযুক্ত পুলিশ এবং বিএসএফ | 

কিন্তু ‘আর এস এস’ আর ‘বি জে পি’ পন্থীদের তোলা বাংলাদেশী অনুপ্রবেশের অভিযোগ যে এইভাবে সংস্কৃতি আর দু বাংলার মিলনের হুজুগে দিনে দুপুরে সত্যি প্রমানিত হবে, এটা বাজারী সাংবাদিকদের কল্পনাতীত | যতটা মোলায়েম উপস্থাপনা হয় সেই দিকে দৃষ্টি রেখে,এই অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা কতো, আনন্দবাজার সে বিষয়ে নিশ্চুপ |
…………….
৮ই অক্টোবরের বর্তমান সে বিষয়ে সত্যের কাছাকাছি পৌঁছতে সচেষ্ট হয়েছে এইভাবে | তাদের সংবাদ শিরোনাম হলো : দুই বাংলার মিলন উত্সবের সুযোগে বড় সংখ্যক বাংলাদেশী ঢুকে পড়ল পশ্চিমবঙ্গে | কিন্তু তার সংখ্যা কতো সেটা বোঝাতে গিয়ে সাংবাদিক মহাশয় যে শব্দগুলি ব্যবহার করেছেন তা হলো ‘বড় সংখ্যক’, ‘প্রচুর’,  ’বিপুল’ বা ”ওপার থেকে আসা জলযান থেকে লোক নেমে ‘পিলপিল’ করে পাড়ে উঠে যায়” |
……………………..
এই অনুপ্রবেশের সংখ্যাটা ছাপার অক্ষরে পাওয়ার জন্য আমাদের আরো দুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে | ১০ই অক্টোবরের বর্তমান লিখেছে : ” অনুপ্রবেশকারীদের খোঁজে অভিযানে পুলিশ, ধৃত মাত্র ১ :  …. কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়ে জানিয়েছে যে, দশমীর দিন দুই বাংলার যৌথ মিলনের উত্সবকে ঢাল করে ৫০  হাজারেরও বেশি বাংলাদেশী এপারে এসে আর ফিরে যায়নি |” ….”দশমীর আগে কয়েকদিন আগে সীমান্তের গ্রামগুলিতে রীতিমত মাইক নিয়ে মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে ভারতে আসার জন্য ব্যাপক প্রচার চালানো হয় |” …… ” স্থানীয় সুত্রে খবর, সেদিন যারা অবৈধ ভাবে এদেশে ঢুকেছিল, তারা বসিরহাটে নেই | দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তারা ছড়িয়ে পড়েছে |”
………………..
এর আগেই বর্তমান লিখেছিল, (দশমীর দিন) ” রাস্তার উপর যেভাবে শ’য়ে শ’য়ে বেআইনি বিদেশী মুদ্রা বিনিময়ের টেবিল দেখা গেল, তাতে মনে হওয়া স্বাভাবিক , এই বিপুল অনুপ্রবেশ পূর্বপরিকল্পিত |”
………………..
বলা বাহুল্য, এই অনুপ্রবেশকারীদের ৯০ % হলো বাংলাদেশী মুসলমান এবং তাদের মধ্যে নাশকতাবাদী মুসলিম জঙ্গি  থাকার সম্ভাবনাকে আদৌ উড়িয়ে দেওয়া যায় না |
………………….
বাঙালি মুসলমানদের পশ্চিমবঙ্গ গ্রাসের ভয়ংকর বিষয়টিকে আমরা কখনো গুরুত্ব দিতে চাই না | আজকের বাংলাদেশী মুসলমানরা আমাদের কত ভালো প্রতিবেশী সে বিষয়ে আরো অনেকে গবেষণা চালাবেন | চালান, তাতে প্রশাসন, পুলিশ আর রাজনৈতিক নেতাদের কোনো আপত্তি নেই | কিন্ত ভারতের মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট অনুপ্রবেশের বিষয়টিতে কড়া মনোভাব ব্যক্ত করেছেন | অল ইন্ডিয়া লিগাল এইড ফোরামের সম্পাদক, সমাজমনস্ক ও জাতীয়তাবাদী বিশিষ্ট আইনজীবী জয়দীপ মুখার্জীর দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি জ্ঞানসুধা মিশ্র আদেশ দিয়েছেন, “যাতে প্রশাসন টাকিতে বিসর্জনের সময় ঢুকে পড়া অনুমিত ৫০ হাজারের বেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সকলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে” | সংবাদে প্রকাশ, বিজয়া দশমীর দিনে উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে দুই বাংলার দূর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় সুযোগ পেয়ে প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশী ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করাতে  ভারতের সুপ্রিম কোর্ট উদ্বিগ্ন |
…………………
জয়দীপ বাবু তার আবেদনে বলেছিলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের বিনা বাধায় ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া অপরাধ | অবৈধ বাংলাদেশীরা ঢুকছে আর পুলিশ প্রশাসন তা দাঁড়িয়ে  দাঁড়িয়ে দেখছে, তা বরদাস্ত করা যায় না | এতে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হচ্ছে |  শুধু  সন্ত্রাসবাদীর ভয় নয়, এই অনুপ্রবেশের ফলে দেশের জনসংখ্যার ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে |” (দৈনিক স্টেটসম্যান, ১৪/১০/২০১১)|
…………………
এতদিন এই কথাগুলো যারা বলতো, তারা অসাম্প্রদায়িক উদার  সাংবাদিক কুলের বিচারে ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক প্রাণী | এখন জয়দীপ বাবুকে কি বলা হবে ? আর এস এস /বি জে পি র এজেন্ট ! সে যাই হোক এখনো ৫০ হাজার  অনুপ্রবেশকারীর ৫ জনও গ্রেপ্তার হয়নি | তাহলে কি  কেন্দ্রীয় সরকারের (মনমোহন-সোনিয়া সরকার) অধীন বর্ডার সিক্যুরিটি ফোর্স আর রাজ্য সরকারের (মমতা ব্যানার্জী) পুলিশ প্রশাসন আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে চলেছেন ?
………………
অনুপ্রবেশ আর অনিয়ন্ত্রিত জন্মহার বৃদ্ধিকে হাতিয়ার করে বাঙালি মুসলমানরা বাঙালি হিন্দুদের দ্রুত সংখ্যালঘু করে দিতে চলেছে | 
……………….
আর আশ্চর্যের বিষয় হলো তবুও বাঙালি হিন্দু একই বৃন্তে দুটি কুসুম হওয়ার অলীক সাধনায় মত্ত থেকে সামনের বছর বিজয়া দশমীর দিন আরো পঞ্চাশ হাজার অনুপ্রবেশকারীর অভ্যর্থনার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে, তবু পাঁচশ সংখ্যায় জড়ো হয়ে লাঠি হাতে বিদেশী শত্রুর মোকাবিলা করবে না, দেশের মাটি আর সম্মান বাঁচানোর চেষ্টা চালাবে না |

About bangalihindurjanya

পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি হিন্দুর প্রথম সুরক্ষাভূমি শ্যামাপ্রসাদের সৃষ্টি এই পশ্চিমবঙ্গের নাম যে পাল্টে ভয়ংকর কিছু হলো না, তার জন্য ইশ্বরকে ধন্যবাদ | চক্রান্ত চলছে এই বাংলাকে বাংলাদেশের কুক্ষিগত করে বাঙালি হিন্দুর সর্বস্ব হরণ করার | দেশ ভাগের বলি হিসাবে বাঙালি হিন্দুর রক্ত ঝরেছে, ভিটে মাটি গিয়েছে, ইজ্জত হারিয়েছে অগনিত মা-বোন..... নিজ ভূমে পরবাসী হবার লাঞ্চনা সইতে সইতে, ভুলতে চায়েছি সব কিছু | বাঙালি বলে বাঙালি হিন্দুর উপর বাঙালি মুসলমানরা তাদের উর্দুভাষী জাত ভাইদের সাথে হাত মিলিয়ে অত্যাচার, ধর্ষণ, খুন কিছু কম করেনি | সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে | শুধু বাংলাদেশে বাঙালি হিন্দুর উপর বি এন পি - জামাতের অত্যাচার নয়, সমানতালে সেথায় চলছে আওয়ামী - লীগের হিন্দু নিকেশ কর্ম যজ্ঞ | আর পশ্চিমবঙ্গে ? ঠিক একই ভাবে শোনা যাচ্ছে পাকিস্তানের পদধ্বনি | মুসলিম সংখ্যাগুরু এলাকা ছেড়ে বাঙালি হিন্দু পালাচ্ছে | সীমাহীন অত্যাচারিত হচ্ছে | ৩৪ বছরের লালিত ইসলামী দানব আজ পরিবর্তনের আসুরিক শক্তি নিয়ে এক নিটোল ইসলামী বাংলা গড়তে বদ্ধপরিকর | সি পি এম - তৃনমূল কেউই বাঙালি হিন্দুকে বাঁচাতে আসবে না | আসছে না | তাহলে বাঙালি হিন্দু কি শেষ হয়ে যাবে ? আসুন পশ্চিমবঙ্গকে বাঙালি হিন্দুর সুরক্ষাভূমি হিসাবে গড়ে তুলি | যার ভিত্তি হোক বাঙালি হিন্দু জাতীয়তাবাদ | দেশপ্রেম, ভারতপ্রেমের পরাকাষ্ঠা হয়ে, আসুন আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের রক্ত ঋণ শোধ করি, এই বাংলাকে ভারতের হিন্দু নব জাগরণের পীঠস্থান রূপে গড়ে তুলি | বন্দে মাতরম | এই ব্লগের সঙ্গে থাকুন | হে নতুন যুগের যাত্রী আসুন সংগ্রামের ভূমিতে একসাথে এগোই |

2 Responses »

  1. Pingback: Fifty Thousand Bangladeshi intruders invaded West Bengal overnight. | Bharat Mirror

  2. THIS KIND OF MUSLIM TRESPASSING IS DANGEROUS FOR WEST BENGAL AS WELL AS INDIA. THE LOCAL POLITICAL REPRESENTATIVES KNOW ALL BUT DON NOT TAKE STEPS,THEY INDIRECTLY WELCOME THOSE TRESPASSERS CONSIDERING THEM THE FUTURE VOTE-BANK. SUM TOTAL ,WE HINDUS ARE THE WORST SUFFERS. SO EVERY HINDU OF THE VILLAGES OF TAKI MUST PATROL THEIR AREAS,& KEEP TIGHT VIGIL OVER THE SITUATION DURING BISARJAN. THEY SHOULD NOT BELIEVE THE LOCAL GOVT OR POLITICAL AUTHORITIES MORE. THE GOVT SHOULD BE PRESSURIZED FOR IMMEDIATE ACTION AGAINST THIS SITUATION. THOSE 50000 MUSLIMS MUST BE URGED TO GO BACK TO THEIR OWN LAND & IF THEY DO NOT DO THIS,THEN TIE THEM & SEND TO DHAKA LIKE THE COWS WHICH ARE CARRIED FAR DISTANCE DURING BAKRI ID GATHERING IN A SAME LORRY.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s