কোনো হিন্দু মেয়ের পক্ষে কোনো মুসলমান ছেলেকে বিয়ে করা কখনই উচিত নয়…

Standard

LOVE JIHAD-SAVE OUR GIRLS FROM MUSLIMS

লাভ জিহাদের মরণ ফাঁদ…  এবার সাবধান হোন…

 ~ উপানন্দ ব্রহ্মচারী 

লাভ-জিহাদের ফাঁদে পা দিয়ে প্রেম বিবাহে অন্য ধর্ম গ্রহন করে যে, কেউ সুখি হতে পারেনি তার প্রমান আমরা প্রায় প্রতিনিয়তই পাচ্ছি, কিন্তু এত কিছুর পরও কেন এই ঘটনা বার বার ঘটছে ?
এটি রোধ করা খুব কঠিন কাজ নয় । এজন্য আমাদের অবিভাবকদের একটু সচেতনথাকতে হবে, দেখতে হবে আমার মেয়ে বা বোন কি করে, কোথায় যায়, কার সাথে মিশে ইত্যাদি । আর আমাদের বোন বা মেয়ে দের একটু সচেতন থাকতে হবে, যাতে অন্য কেউ তার ব্রেইন ওয়াশ করতে না পারে, আর সবচেয়ে ভাল হয় খারাপ মনের মানুষের সঙ্গ পরিত্যাগ করা । সবাইকে অনুরোধ করছি, নিজে সচেতন থাকুন, অন্যকে সচেতন করুন, আর যখন-যেখানে এই রকম ঘটনা দেখবেন, সেটা কঠোর হস্তে দমন করুন । লাভ জিহাদ এখন একটি বিশ্ব সমস্যা । দুই বাংলার হিন্দু মেয়েরা ভয়ংকর ভাবে লাভ জিহাদের শিকার । বয়:সন্ধিকালের মেয়েদের যৌন সুড়সুড়ি, চটকদার উপহার, নেশা, লিপ্ত হওয়ার পুরনো ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেল ও নানা ধরনের চক্রান্ত করে মোল্লার ছেলেরা তাদের শিকার ধরে ও শেষে সর্বনাশ করে । মোল্লার ছেলেরা যেন কোনো ভাবেই হিন্দু মেয়েদের ঘনিষ্ট হতে না পারে তা কড়া ভাবে দেখতে হবে । আর বোঝাতে হবে মুসলমানদের ধর্মটা কত খারাপ । এই ব্যাপারটার মধ্যে কোনো রাখঢাক রাখার দরকার নেই । আমরা সকালেই জানি মুসলমানরা তাদের ধর্মকে বড় করে দেখনোর জন্য অন্য সব ধর্মের যাচ্ছেতাই নিন্দা মন্দআর কুত্সা রটনা করে বেড়ায় । কখনই কোনো মুসলমান মেয়েকে অন্য ধর্মের ছেলের সাথে বিয়ে -সাদী করায় না । তাহলে ইসলামের কালো ভয়ংকর নৃশংসতা আর অমানবিকতা সম্পর্কে আমাদের ছেলে-মেয়েদের সচেতন করতে দোষ কোথায় ? আসুন যেকোনো মূল্যে আমাদের মেয়েদের লাভ জিহাদের ফাঁদ থেকে মুক্ত করি …….. এই বিষয়ে ড: রাধেশ্যাম ব্রহ্মচারীর যুগান্তকারী আলোচনা ” কোনো হিন্দু মেয়ের পক্ষে কোনো মুসলমান ছেলেকে বিয়ে করা কখনই উচিত নয় ” শীর্ষক নিবন্ধ নিজে পডুন, অন্যকে পড়ান এবং সাবধান হোন …………..

RB1RB2

RB3RB4

এক লহমায় “পশ্চিম বঙ্গ” হয়ে যেতে পারে “পশ্চিম মুসলিম বঙ্গ” ~ সময়ের প্রতীক্ষা, অথবা সংগ্রামের শুভারম্ভ ?

Standard
মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের ইসলামিকরনের চক্রান্ত সুস্পষ্ট…
~ উপানন্দ ব্রহ্মচারী    

ন্ধু ক্ষমা করবেন | আমার এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি শুধু শারীরিক নয়, তা অনেকাংশেই মানসিক | এই বাংলাতে একের পর এক যা ঘটে চলেছে তাতে কোন সংবেদনশীল মানুষের পক্ষে যন্ত্রনায় দীর্ণ না হয়ে থাকা যায় না |

যেভাবে চারিদিক থেকে হিন্দুদের উপর আক্রমনের খবর আসছে, আর হিন্দু মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে , তার যথাসাধ্য সহায়তা আর অন্য লেখা-লেখি, সভা-সমিতি সামলাতে গিয়ে এই ব্লগটার যথেষ্ট অনাদর হচ্ছে | কিন্তু এমন বন্ধুদের পেলাম না, যাতে পশ্চিম বঙ্গের একমাত্র হিন্দু স্বার্থ জড়িত এই বাংলা ব্লগটির উন্নতি বিধান ও প্রচার হয় |
সে যাই হোক, আজ যে বিষয়টি জানাতে চাইছি তা অত্যন্ত মারাত্মক | পরিবর্তন পন্থী পশ্চিম বঙ্গের এই সরকার মুখ্যমন্ত্রী নমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে যে ভাবে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনগনের স্বার্থ ও উন্নয়নের কাজকে জলাঞ্জলি দিয়ে আগামী পঞ্চায়েত ভোটের কথা মাথায় রেখে শুধু মাত্র মুসলমান সংখ্যালঘু উন্নয়নের নামে খরচের বন্যা বহাতে চাইছেন, তাতে এই রাজ্যের আগামী ইসলামিকরনের চক্রান্তটি সুস্পষ্ট ভাবে আন্দাজ করা যাচ্ছে |
ত ১০-০১- ২০১২ তারিখে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংখ্যা লঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগমের অনুষ্ঠানে মমতা ব্যানার্জি যেভাবে মাথায় হিজাব টেনে মুসলিম উন্নয়নে আগামী ৩১ শে মার্চের মধ্যে ৪১৫ কোটি টাকা যে কোন ভাবেই  খরচ করতে হবে বলে ফরমান জারি করেছেন, তা এক কথায় নজির বিহীন |
দিকে প্রতিটি জেলাতে মুসলিম উন্নয়নের (আসলে ইসলামীকরণ) কাজ কে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে পূর্বতন বামফ্রন্ট আমলের ঘোষিত জেলা-মহকুমা-ব্লক ভিত্তিক আলাদা সংখ্যালঘু দপ্তর গঠন যাতে না বাধাপ্রাপ্ত হয়, তার জন্যে বরাদ্দ ১৪ কোটি টাকার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৭ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে |
ই দিন মমতা (মুসলিম ভাই বোনেরা নাকি এখন তাকে মমতাজ বলেই ডাকেন), নেতাজি ইনডোরের অনুষ্ঠান থেকেই ৩ লাখ ১১ হাজার মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী-যুবক-যুবতী কে ৬৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মেধা-বৃত্তি, ঋণ ও অনুদান প্রদান করেন | তিনি এই নির্দেশও দেন যে বাকি ১৬ লাখ ৭০ হাজার মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী-যুবক-যুবতী ও স্বসহায়ক দল গুলিকে যেন তাদের প্রাপ্য ৩১ শে মার্চ ২০১২ এর মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হয় |
ল্লেখ্য যে, পরিবর্তনের রথে মহাকরণে আসীন হয়েই মমতা তার মুসলিম ভাই বোনদের খুসি করতে গত জুলাই (২০১১) মাসে ৫৪১৪১ জন মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের ২১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বিতরণ করে তার ইসলামিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছিলেন | আর একদিনে ১০০০০ মাদ্রাসার অনুমোদনে  মমতা তার ইসলামী উত্তরাধিকার ও নতিকে আরো দৃঢ. ও উজ্জল করেছেন   |
বসময় রবীন্দ্রনাথ আর নজরুল আওড়ানো মুখ্যমন্ত্রী কেন বলতে সাহস করেন না যে, আমার রাজ্যে থাকবে শুধু শান্তিনিকেতনের গুরুকুল প্রথার শিক্ষা ধারা, যেখানে ধর্মীয় সংকীর্ণতার লৌহকপাট ভেঙ্গে বাঙালি প্রকৃত এক জাতি এক প্রাণ হওয়ার শিক্ষা পাবে | অথবা এখন থেকে সরকারী টাকায় চলা মাদ্রাসাগুলিতে কোরান হাদিসের সাথে পড়ানো হবে গীতা আর উপনিষদের মর্মবাণী |  অথবা মাদ্রাসা সহ সমস্ত সরকারী অনুদান যুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ধর্ম মুক্ত | না বন্ধু তা হওয়ার নয় | নতুবা ত্বাহা সিদ্দিকী, ইদ্রিস আলী, নুরার রহমান বরকতি, সিদ্দিকুল্লাহরা তাদের আন্দোলনের  (পশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ)  জন্য জেহাদী ছাওয়ালদের পাবে ক্যামনে ? তোমরা তো জানতি পারো না, ক্যামনে  এই পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশের অঙ্গরাজ্য করনের লগ্যা সেলিম, খোঁড়া বাদশা, জানে আলম, রশিদ মিয়ারা অনিয়ন্ত্রিত পয়দা, ব্যাপক অনুপ্রবেশ, জাল নোটের কারবার, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা চিট ফান্ড, নেশা আর অস্ত্রের  কারবারে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু গরিষ্টতাকে লাথ ম্যাইরা উঠতাছে |
তাই মগরাহাট ইলেকট্রিক হুকিং কান্ডে পুলিশী গুলিচালনায় মৃত্যু আর সংগ্রামপুর চোলাই কান্ডে ১৫০ এর উপর মৃত মোমিন (বাকি ১৭/১৮ জন  হিন্দু বটে) দের সমর্থনে-সত্কারে পুলিশ – প্রশাসনকে হতভন্ব করে মমতাময়ীর নির্দেশে মুসলিম দের জন্যে হকিং জায়েজ হলো | আর চোলাই খেয়ে বেহস্তগামীরা তৃণমূলি শাহিদের সম্মান পেল | অতএব রাজকোষ খালি করো | প্রত্যেককে ২ লাখ করে দেওয়া হলো | পুলিশের হাত থেকে কাড়া হয়েছে রাইফেল | ঢাল তলওয়ারহীন পুলিশ এখন নিধিরাম সর্দার | আর একে একে ঘটে  চলেছে জেহাদী মুসলিমদের দ্বারা কুল্পী আর কানিং এর মতো থানা আক্রমনের মতো  ঘটনা |
কিন্তু শুধু তৃণমূল স্তরে আংশিক জিহাদ করলে চলবে না | এই জিহাদের সম্পূর্ণতার জন্য বাঙালি মুসলিম মননকে পাক্কা আলিগড়ি শৈলীতে রুপান্তরের জন্য পশ্চিমবঙ্গে দু দুটি আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন তৈরী হচ্ছে | মুর্শিদাবাদ আর ভাঙ্গর | রাজারহাটে আলিয়া মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের  জন্য মঞ্জুর হলো ৬০ বিঘা মূল্যবান জমি | নব কলেবরে দন্ডায়মান তিন তিনটি সরকারী হজ টাওয়ার | রাজারহাট, কৈখালী আর পার্ক সার্কাসে | আর সারা ভারত থেকে আগত গঙ্গাসাগরের তীর্থ যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ হোগলার ছাউনি | ৫ টাকার তীর্থকর উঠিয়ে নিয়ে ৫০০০ মমতার কাট আউটে মুড়ে ফেলা হয়েছে সাগর মেলা প্রাঙ্গন | আর দুই তিন গুন বর্ধিত বাস-টাক্সি-ভেসেল ভাড়া আদায় কড়া হচ্ছে গরীব- আনপড় হিন্দু তীর্থ যাত্রীদের কাছ থেকে | ফুর্তি করতে যাওয়া হিন্দু মন্ত্রী আর আমলাগুলোর মধ্যে প্রতিবাদ করার লোক নেই, আর এভাবেই বঙ্গোপসাগরের অতল জলে ঠেলে ফেলার চক্রান্ত হচ্ছে পশ্চিম বঙ্গের বাঙালি হিন্দুদের ভবিষ্যতকে |
সেদিন (০৪-০১-২০১২) মুখ্যমন্ত্রী মমতাময়ী জোকাতে ভারত সেবাশ্রম সংঘ হাসপাতালের আই সি ইউ ও দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে এলেন | স্বামিজিদের আশা ছিল মমতাময়ী হয়ত এই মহতী কর্ম যজ্ঞের জন্য কম করে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন | কিন্তু সে আশায় জল ঢেলে দিয়ে মমতা কথার ফুলঝুরি ছোটালেন, সাধুদের সেবা কাজের ভূয়সী প্রশংসা করলেন |ভারত সেবাশ্রম সংঘের দ্বারা রাজ্যের দশটি হাসপাতাল পরিচালনার প্রস্তাব দিলেন  | কিন্তু টাকা কোথা থেকে আসবে, সাধু-মহারাজরা একথা কেউ মুখ ফুটে বলতে পারলেন না | জিজ্ঞাসা করলে নিশ্চয়ই আমাদের মুখফোড় মুখ্যমন্ত্রী বলতেন, দেখুন আপনারা হলেন সাধু মহারাজ | আপনাদের আবার টাকা কি কাজে লাগবে ? বরং আপনারা হিন্দুরা রাজকোষে টাকা জমা করুন, আর আমি মুসলমান মৌলভি, মাওলানা আর মুসলিম সমাজের জন্য দান খয়রাত করি | বেহস্তে যাবার তৌফিক লাভ করি |
ব দেখে শুনে মনে হচ্ছে মমতা ব্যানার্জির তৃনমূল শুধু মাত্র পশ্চিম বঙ্গের ২৫ শতাংশ মুসলিম ভোটের মাধ্যমে জিতে সরকার গড়েছে , আর ৭৫ শতাংশ হিন্দু ভোটের কোন মূল্যই নেই | পশ্চিম বঙ্গের হিন্দুরা যেন বানের জলে ভেসে এসেছে |
যারা পাঁচ ওক্ত আজান শুনে শুনে বধির, কৃত্রিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির  বুলি কপচাতে কপচাতে সত্যি বলার ক্ষমতা হারিয়েছেন, যারা জেগে ঘুমোচ্ছেন, তারা বেঘোরে প্রাণ হারাবেন | আর যারা পশ্চিম বঙ্গের এই ইসলামিকরণের চক্রান্ত বুঝতে পারছেন তারা দয়া করে রুখুন, হিন্দুর উপর রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক আক্রমন, হিন্দুর মা – বোন – সম্পত্তির উপর বিধর্মীর লোলুপ দৃষ্টি | নতুন নতুন এলাকা আর রাস্তার মুখপথ ওরা দখল করে নিচ্ছে | নতুন বাজার-হাট গড়ছে আর ইসলামিক ব্যাঙ্ক গড়ার আগে অজস্র চিট ফান্ড খুলছে | হিন্দু এলাকার মধ্যে মাদ্রাসা আর ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে হরদম | হিন্দুর ছেলে মেয়ে গুলোকে মাদ্রাসা আর ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়িয়ে তাদের ভেতরে নিজের ধর্ম সংস্কৃতির সম্পর্কে হীন ধারনা তৈরীর চেষ্টা চলছে | হিন্দু মেয়ে গুলোকে লাভ জিহাদিদের কন্ঠলগ্ন করার চক্রান্ত চলছে | সুযোগ পেলেই নতুন নতুন জায়গাতে গোমাংসের দোকান  আর মুসলিম হোটেল খোলা হচ্ছে |
যেভাবে মসজিদ – মাদ্রাসা – এন জি ও র উন্নতির জন্য কোটি কোটি আরব ডলার কাজে লাগানো হচ্ছে তা ভাবা যায় না | এরা নাকি সাচার কমিটি আর রঙ্গনাথ মিশ্র কমিশন উল্লিখিত পশ্চাদপদ সম্প্রদায় | সংগ্রামপুর চোলাই কান্ডের কান্ডারী খোঁড়া বাদশা রেলের হকার থেকে আজ ১৬ কোটি টাকার মালিক | তার প্রাসাদোপম অট্টালিকা দেখে সাংবাদিক কুলের ভিরমি খাবার যোগাড় | তবুও তেল দিতে হবে সংখ্যালঘু মুসলিম ভাই-বেরাদারকে | মারতে হবে কাফের হিন্দু গুলোকে | ডাকাতি করতে হবে হিন্দু বাড়িগুলোতে | তারপর সারা রাত ধরে ইজ্জত লুঠতে হবে হিন্দু-মা বোনেদের | ও ভাই, বড্ড সাম্প্রদায়িক ব্যক্তব্য হয়ে যাচ্ছে না ? তা একটু কষ্ট করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে, মালদা -মুর্শিদাবাদ- উত্তর দিনাজপুরের গ্রামগুলোতে,  নদীয়া আর উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী স্থান গুলোতে  ঘুরে আসুন, দেখবেন হিন্দুরা কিরকম কান্না চাপতে আর সত্য গোপন করতে শিখে গেছে……..

তাহলে কি বাঙালি হিন্দু এখনই শেষ হয়ে যাবে | আসুন ভাই আত্মরক্ষায়-স্বধর্ম রক্ষায় ব্রতী হই | আত্মরক্ষা তো সবার মৌলিক অধিকার | আসুন অবশ্যই আমরা যে কোন হিন্দু সংগঠনে যোগ দিই আর এই পঞ্চ ব্রত পালন করি :
(১) কোথাও হিন্দু মার খেলে ঝঁপিয়ে পড়ুন | মুখ ফিরিয়ে চলে যাবেন না | আক্রমণকারীদের হাত থেকে হিন্দু রক্ষা আমাদের প্রথম ব্রত |
(২) যে কোন মূল্যে হিন্দু মা বোনদের সাথে বিধর্মীর প্রেম-বিবাহ বন্ধ করুন | মুসলিমরা মহিলাদের কোরান মোতাবেক উত্পাদনের শস্য ক্ষেত্র মনে করে | এ পথে গুনোত্তর পদ্ধতিতে হিন্দুর শত্রুর সংখ্যা বাড়ানোর চক্রান্ত “লাভ জেহাদ” রুখুন |
(৩) দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়েছিল | মুসলমানদের জন্য মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান হলেও, ভারত কিন্তু প্রকৃত হিন্দুস্থান হয়নি | হিন্দু রাষ্ট্রতো নয় | যারা এখনো প্রান খুলে বন্দেমাতরম বলতে পারল না, এই মাটিকে পবিত্র-পাক ভাবতে পারল না, তাদেরকে এক ইঞ্চি ভূমিও বিক্রি করা পাপ | ওরা ২ গুন / ৩ গুন মূল্যে বিঘে বিঘে জমি কিনছে, বসতি করছে | নতুন এক পাকিস্তানের চক্রান্ত হাসিলে মদত বন্ধ করুন | হাজার প্রলোভনেও এক ইঞ্চি ভূমি কোন দেশদ্রোহী বা বাংলাদেশী মুসলিমের হাতে তুলে দেবেন না |
(৪) একটু সাবধানে ব্যবসা বানিজ্যে প্রবৃত্ত হোন | লাভ যেকোনো দিক থেকে সত পথে আপনার পকেটে আসুক | কিন্তু আপনার কাছ থেকে লাভ তুলে সে টাকা যাকাত আর খয়রাতের মাধ্যমে মসজিদ আর মাদ্রাসা নির্মানে যেন সহায়ক না হয় | হাজার হাজার  জেহাদী ওই মসজিদ আর মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে আপনাকে আর সমগ্র ভারতকে খতম করবে |  শুধু হিন্দু দোকান থেকে কেনা-বেচা করুন |   শুধু হিন্দু  শ্রমিকদের কাজে নিযুক্ত করুন |
(৫) হিন্দু ভাই গণ একটু কম ভন্ডামি করুন | ধর্ম আচরণ করবেন আর ধর্ম রক্ষা করবেন না – এই চালাকি ত্যাগ করুন | ধর্ম রক্ষা শুধু সাধু-গুরু -সংগঠক দের নয় | ধর্ম রক্ষায় সবাইকে ব্রতী হতে হবে ভাই | বৈপরিত্য চলবে না | গরুকে মাতা বলব, গোমাতা বলে পূজা করবো, সে গরুকে অথর্ব বা বুড়ো হলে কসাই এর হাতে বিক্রি করব – এর থেকে বড় পাপ আর ভন্ডামি কিছু হয় না | কোন ভাবেই গরুকে কুরবানির জন্য কসাই এর হাতে বিক্রি করবেন না | গোরক্ষা আন্দোলনে নিজেকে যুক্ত করুন | ভালো হবে | মঙ্গল হবে |
ই ধার্মিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক কট্টরতা ছাড়া সামনের ২৫ বছরে  হিন্দুর পক্ষে পরবর্তী ভবিষ্যত নির্মান সম্ভব বলে মনে হয় না | নতুবা “দিদির” নির্দেশে যেমন এক লহমায় ” আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়”  হতে পারে “আলিয়া মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়”, তেমনি তার ইসলামিক তর্জনী হেলনে  “পশ্চিম বঙ্গ” হয়ে যেতে পারে “পশ্চিম মুসলিম বঙ্গ” | হয়ত তা শুধু সময়ের প্রতীক্ষা, অথবা সংগ্রামের শুভারম্ভ |

মুজাহিদিনদের জালে জড়িয়ে রয়েছে কলকাতা | কলকাতা থেকে পরিচালিত হয় জিহাদ | পশ্চিমবঙ্গ এখন সন্ত্রাসবাদী মুসলমানদের স্বর্গোদ্যান |

Standard

মুজাহিদিনদের জালে জড়িয়ে রয়েছে কলকাতা | কলকাতা থেকে পরিচালিত হয় জিহাদ | পশ্চিমবঙ্গ  এখন সন্ত্রাসবাদী মুসলমানদের স্বর্গোদ্যান | আর রাজ্য সরকারের প্রদত্ত ঋণ আর সংরক্ষনে আজ বাড় বাড়ন্ত মুসলিম সমাজের | অন্যদেরকে তারা ধংশ করতে চায় | ইসলামী গরিষ্টতা কখনো বিশ্বের কোথাও অমুসলমানদের বাঁচতে দেয় না | আমরা বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের হিন্দুদের ভয়ানক দুর্দশা দেখেও কিছু শিখতে পারলাম না |
রাজনীতির খাল কেটে ইসলামের আর খ্রিস্টানের কুমির ডেকে আনছে তৃনমূল | ওই খাল কেটেছিল বামফ্রন্ট | মমতা বানার্জী এসব বোঝেন না নাকি ?
এর পরও কি বলতে  চান  আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতাজ বানু আর্জি | ইদ্রিস আলী , সুলতান মহম্মদ , বরকাতি রহমান আর ত্বাহা সিদ্দিকী দের নিয়ে নিশ্চিন্তে তিনি এক তালিবানি রাজ্যের প্রতিষ্ঠায় প্রাণপাত করছেন | ধিক এই মুসলিম নৈরাজ্যের অগ্রদূতিকে |

কুল্পী থানা ভাংচুর, বি ডি ও অফিস আক্রমনের চেষ্টা… পশ্চিমবঙ্গে ইসলামিক সন্ত্রাস বাড়ছে |

Standard

তৃনমূল অফিসের কাছেই মোল্লারা জড়ো হয়ে থানা আক্রমনের ছক কষে |

মমতার প্রশ্রয়ে পশ্চিমবঙ্গে ইসলামিক সন্ত্রাস ?

কুল্পী থানা ভাংচুর, বি  ডি ও অফিস আক্রমনের চেষ্টা…  

অগ্নিগর্ভ কুল্পিতে রাফ (RAF) এর টহল | হিন্দুরা আতঙ্কিত |

প্রতিবেদন : পার্থ চৌধুরী ও সানু ডেকুয়া | কুল্পী : ২৪/১০/২০১১ |

রাফ (RAF) নামার পর পথ অবরোধ ওঠে | আতঙ্কিত মানুষজন দ্রুত বাড়ি ফেরে |

গত কয়েক মাস ধরে কুলপি থানার গুমুখবেড়িয়া, উত্তর নারায়নপুর সন্নিহিত এলাকায় হিন্দু মেয়ে-বউদের উপর কুদৃষ্টির শায়েস্তা, লক্ষীপূজার বিচিত্রানুষ্ঠানে বহিরাগত মুসলমানদের বেয়াদপি দমন, লাগাতার ডাকাতির চেষ্টা রোধ এবং গত শনিবার গভীর রাতে জেলিয়াবাটি গ্রামে লালমোহন সর্দারের বাড়িতে ডাকাতির সময় মুসলমান ডাকাত ধরে ফেলা নিয়ে স্থানীয় শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের অদৃশ্য লাইসেন্স প্রাপ্ত মুসলিম জিহাদীগণ যার পর নাই ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত |

শনিবার (২২/১০/২০১১) গভীর রাতে জেলিয়াবাটি গ্রামে লালমোহন সর্দারের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসা তিন কুরআন বিশ্বাসী মোমিনকে ধরে ফেলে কতিপয় হিন্দু প্রতিবাদী কাফের | আর তারপর ভগবান কৃষ্ণের অপেক্ষায় বসে না থেকে  “দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন” নীতি অবলম্বন করাতে যত গোল বাধে | আড়ং ধোলাইয়ে অস্থির উম্মার একাংশকে উদ্ধার করার চেষ্টায় মোমিন ভাইয়েরা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ  হয় |
…….
রবিবাসরীয় অবসর নষ্ট করে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা পুলিশ সমাহর্তা ওই হিন্দু গ্রামে ঢুকে বার বার  ডাকাতির চেষ্টাকারীদের কোনক্রমে উদ্ধার করে | এলাকার কয়েকটি মুসলিম গ্রামের মাতব্বর ও কুলপি থানার মোল্লা ভজা বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদারের ইন্ধনে মুসলমানদের সন্তুষ্ট করতে কিছু হিন্দুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হয়| কিন্তু ওই গ্রামের বীরাঙ্গনা মায়েরা বোনেরা তীব্র  ভাবে রুখে দাঁড়ালে কোনো হিন্দু গ্রেপ্তার হয় নি | ব্যর্থ মনোরথ মোমিন ভাইরা তাল কষতে কষতে ফিরে যায় |
…….
সন্ধ্যার  মধ্যেই সমস্ত মসজিদে এবং মাদ্রাসায় মিটিং করে, সারা রাত ধরে অপপ্রচার চালাতে  থাকে যে, “ডাকাতি নয় – পবিত্র বকরী ঈদের (গরু কাটা)  গরু গস্ত (কেনাবেচা) করার সময়ে অন্যায় ভাবে মুসলমানদের পেটানো হয়েছে এবং তা ঘটেছে পুলিশ আসার পরও | তাই আর দেরী নয়, ধরগো তোরা, হাতে অস্ত্র ধরগো | এবার কুলপি থানা ঘিরতে হবে, সামনে ইসলামিক স্বর্গ | সে উত্সাহ দেখে কে !!….. কুলপি থানাকে বার বার সতর্ক করার চেষ্টা হয়েছে… কিন্তু কুলপি থানার বড় বাবু গৌতম চক্রবর্তী এলাকার মুসলিম মস্তানদের সহায়তায় তোলাবাজিতে ‘লিমকা বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ নাম তুলতে সদাব্যস্ত …. এসব সেন্টু কথাবার্তাতে বা হিন্দু মা বোনদের কান্নায় তার উপবীত বিজড়িত কর্ণের কিস্সু হয় না |
………
অত:পর যা হওয়ার তাই হলো | সোমবার সকাল থেকে রামনগর, কন্দরপুর, কাঞ্চনিপাড়া, হেলেগাছি, রমজাননগর, কচুবেড়িয়া, বেরন্দারী মুসলিমপাড়া থেকে দলে দলে সশস্ত্র মোমিনরা ৭-৩০ র মধ্যে পৌছে গেল কুল্পিতে | ‘নারায়ে তকবীর’, ‘কুলপি থানার বাড়বাবুর বদলি চাই’, ‘বেছে বেছে মুসলমানদের গ্রেপ্তার চলবে না’, ‘মসজিদের অনুমতি ছাড়া মুসলমানদের গ্রামে পুলিশ ঢোকা বন্ধ কর’ ইত্যাদি ধ্বনি দিতে দিতে থানা আক্রমণ কর হলো | সংবাদে প্রকাশ ব্যাপক ভাংচুর শুরু হলে পুলিশ রণে ভঙ্গ দেয় | একজন পুলিশ কর্তা নাকি নিজেকে রক্ষা করতে দুর্গা নাম জপতে জপতে থানার বাথরুমে দীর্ঘক্ষণ কুম্ভক করে বসেছিলেন | (জয় বাবা রামদেবজীর জয়) |

দেওয়ালিতে শব্দ বাজি নিয়ে কড়াকড়ি ও বকরী ঈদে যত্রতত্র গরু কাটার তোড়জোড় নিয়ে অশান্তি বাড়ছে |

……….

ততক্ষনে প্রাথমিক সাফল্যে উজ্জীবিত জেহাদীরা বি ডি ও অফিসটিকে নিশানা বানাতে চেষ্টা করছেন, কুলপি বাজারের দোকানপাট ঝপাঝপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন কুলপি  সাহাপাড়া, গোপালনগর প্রভৃতি এলাকার মেজ -সেজ -ন গোছের তৃনমূল হিন্দু যুব নেতাদের হস্তক্ষেপে কুলপি বাজার আর বি ডি ও অফিস রক্ষা পায় |

……….
ইতিমধ্যে জেলা পুলিশ হেড কোয়াটার্স ও মিডিয়ার সবাইকে খবর করা হয়েছিল | আগত পুলিশ বাহিনী ও রাফ (RAF) কুল্পিতে নেমেই বেধ্ড়ক লাঠি ও কাঁদানে গ্যাস চার্জ করে | জেহাদী বীরপুঙ্গবেরা নিমেষের মধ্যে হেরা গুহায় প্রবেশ করে এবং তারা নিশ্চিত ভাবেই পরবর্তী জেহাদী ওহী ও হিন্দুদের আক্রমনের অপেক্ষায় রয়েছে |
…………
আক্রমনকারীদের নেতৃত্বে অহিদুজ্জামান বৈদ্য, আব্দুর রশিদ লস্কর ও হাবিব পুরকায়ত নামক দুই তৃনমূল নেতার  নাম বার বার ঘুরে ফিরে এসেছে | যেহেতু আক্রান্ত গৃহস্বামী লালমোহন সরদার সুপরিচিত সি পি এম নেতা ও ধৃত তিন মোল্লা ডাকাত স্থানীয় তৃনমূল নেতাদের ঘনিষ্ট, তাই এটিকে রাজনৈতিক সংঘর্ষর রূপ দেওয়ার চেষ্টা চালালেও আদতে কুলপির মাটিতে ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে | আর তারই ফলশ্রুতি হলো কুল্পী থানা আক্রমণ আর পুলিশ কর্মী সমীর মোদকের মাথা চৌচালা করে দেওয়া |
…………….
পরবর্তীতে মোমিন ভাইগণ ১১৭ নং জাতীয় সড়কের নানা স্থানে যেমন কচুবেড়িয়া, হটুগঞ্জ, শ্রীনগর প্রভৃতি স্থানে রাস্তা অবরোধ করতে চাইলে টহলরত পুলিশ মুসলিমদের হটিয়ে দেয় | কুলপি থানার ভাংচুরের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকরা বাধাপ্রাপ্ত হন | থানা লাগোয়া চারিধারে ১৪৪ ধারা বলবত আছে | শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সর্বদলীয় বৈঠকের কথা ভাবা হচ্ছে | এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে | প্রচুর বহিরাগত পুলিশ মোতায়েন  আছে | খবর বাইরে থেকে আরো পুলিশ বাহিনী কুল্পীতে আসছে | অভিযোগ মুসলমানদের মনতুষ্টির  জন্য স্থামীয় বিধায়ক এবং  ও সি নাকি এবার হিন্দুদের হেনস্থা করার প্ল্যান করছেন |
…………
কুল্পী থানা, বি ডি ও আক্রমণ ও নাগরিক জীবনকে তটস্থ করতে  প্রায় ৭০০০ মুসলমান কুল্পীতে জড়ো হয়েছিল বলে খবর | আজ রাতেই  ব্যাপক পুলিশী অভিযান করে দুষ্কৃতিদের তোলার চেষ্টা করবে | কিন্তু তাতে সমতা বজায় রাখতে গিয়ে  নিরীহ হিন্দুদের হেনস্থা করা হলে তা হবে দু:খজনক |
……….
এই হলো কুলপির সাম্প্রতিক খবর | কাল রাতে মালদার কালিয়াচক থেকে ফোন এসেছিল | বৈষ্ণবনগর  থানা এলাকায় দুই গোষ্ঠির জমি বিবাদ সামলাতে গিয়ে এ এস এই গোপাল চক্রবর্তী গুরুতর আহত হয়ে নাকি কলকাতায় চিকিত্সার জন্য প্রেরিত হয়েছেন | বাঁচবেন কিনা কে জানে |……..
……………….
প্রশ্ন হলো পরিবর্তনের পায়ে পায়ে এই যে ইসলামিক নৈরাজ্য প্রকট হচ্ছে, পুলিশ -প্রশাসন কথায় কথায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাতে আপনাদের কি মনে হচ্ছে ? আমি তো সেই  সবুজ সংকেত পাচ্ছি : পশ্চিমবঙ্গ জেহাদী ইসলামের কুক্ষিগত হতে চলেছে | বরকতি, ইদ্রিস আলী আর ত্বাহা সিদ্দিকীর গ্রাম স্তর পর্যন্ত একটি সমান্তরাল শরিয়তি শাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে আর একপ্রস্থ অনৈতিক ভোট সাম্য বজায় রাখার জন্য মুসলিম দের তেলিয়ে একটি তালিবানি সমাজ গড়ার প্রচেষ্টা চলছে |
…………………..
আরও প্রশ্ন হলো :-
(১) এই তালিবানি শাসন চক্রান্ত শুধু ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি না মুসলিম পশ্চিমবঙ্গ গঠনের আন্তর্জাতিক প্রয়াস ?
(২) পরিবর্তনের এই স্বল্প সীমায় এত হিন্দু মন্দিরে চুরি, মূর্তি ভাঙ্গা  আর হিন্দু গ্রামে ডাকাতি বাড়ছে কি করে ?
(৩) হিন্দু মেলা ও অনুষ্ঠানে হিন্দু মেয়েদের বিশেষ টার্গেট করার মাত্রা হটাত বেড়ে গেল কি করে ?
(৪) সামনে বকরী ঈদে ভারতের সংবিধান, সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাই কোর্টের রায় নস্যাত করে ব্যাপক গরুহাট ও গো বংশ নিধনের চেষ্টা চলছে | একদিকে শব্দ দুষণ প্রতিরোধ করতে দীপাবলীতে শব্দ বাজি ধরার কড়া চেষ্টা আর অপরদিকে গো হত্যার জন্য বকরী ঈদে বেআইনি ছাড় | ব্যাপারটা কি ?
(৫) হিন্দুরা ক্রমশ: এই নির্লজ্জ মুসলিম তোষনে বীতশ্রদ্ধ | অনেক কথাই হিন্দুরা বলতে চাইছে | দয়া করে শুনুন | সংখ্যা গুরু হিন্দুদের মাথায় আঘাত করে, পেটে লাথি মেরে আর খেপিয়ে খুব লাভ হবে কি ? বার বার ভাবুন |
………………..
আনন্দবাজার পত্রিকার অসাম্প্রদায়িক উপস্থাপনা : 
কুলপি থানায় তরোয়াল নিয়ে তাণ্ডব
শুভাশিস ঘটক • কুলপি
হাতে বোমা-তরোয়াল-লাঠি-ইট। মুখে অশ্রাব্য গালিগালাজ। লক্ষ্য, পুলিশ।
অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল প্রায় হাজারখানেক মানুষের সেই ভিড়। খাস পুলিশ-থানার উপরে! প্রতিরোধ উড়ে গেল খড়কুটোর মতো। যথেচ্ছ বোমাবাজি আর প্রহারে ওসি-সহ পাঁচ পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হলেন। এখানেই শেষ নয়। দুর্বৃত্তেরা থানার লাগোয়া পুলিশকর্মীদের আবাসনে গিয়েও চড়াও হয়। নির্বিচারে হেনস্থা করে মহিলাদের। শিশুদেরও রেয়াত করা হয়নি বলে অভিযোগ।
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রশাসনকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে বলছেন, তখন আইনের রক্ষকেরাই আক্রান্ত হলেন এ ভাবে! সোমবার সকালে, কলকাতার ৮৫ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে। যেখানে গত বছরই রথের মেলা উপলক্ষে পুলিশ আক্রান্ত হয়েছিল। হটুগঞ্জের সেই কাণ্ডের পরে গোসাবার ছোট মোল্লাখালির কোস্টাল থানা থেকেও আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ দিনের হামলাও ধৃত কিছু দুষ্কৃতীকে ছাড়িয়ে আনার উদ্দেশ্যেই চালানো হয়েছে বলে জেলার পুলিশ-কর্তাদের প্রাথমিক অনুমান। সে চেষ্টা সফল হয়নি বটে, কিন্তু ইট-লাঠি-তরোয়ালধারী হাজারো মানুষের ঘণ্টাখানেকের তাণ্ডবে ও বোমাবাজিতে গোটা থানা চত্বর কার্যত ধ্বংসস্তূপের চেহারা নেয়। শেষমেশ জেলা সদর আলিপুর থেকে বিশাল বাহিনী গিয়ে লাঠি চালিয়ে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। স্থানীয় মানুষের দাবি, পুলিশ শূন্যে তিন রাউন্ড গুলিও চালিয়েছে, যদিও পুলিশ তা স্বীকার করেনি।
ঘটনার সূত্রপাত কী ভাবে?
পুলিশ-সূত্রের খবর: কুলপি থানা এলাকায় মাস তিনেক যাবৎ অপরাধমূলক কাজকর্ম বেড়ে গিয়েছে। পুলিশি ধরপাকড়ও চলছে। রবিবার ভোরে গোমুখবেড়িয়ায় তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মারমুখী জনতার হাত থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ হাসপাতালে পাঠায়। অন্য দিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এ দিন থানায় সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন ওসি। আর সেই বৈঠক শুরুর আগেই ঝাঁপিয়ে পড়ে উন্মত্ত জনতা।
হামলায় বিধ্বস্ত কুলপি থানা।ছবি: দিলীপ নস্কর
যে ঘটনার সম্ভাব্য ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে পুলিশ-কর্তারা বলছেন, গোমুখবেড়িয়ায় ধৃতদের ছাড়ানোর উদ্দেশ্যে, এবং ধরপাকড় থামানোর জন্য পুলিশকে ‘শিক্ষা’ দিতেই এই পরিকল্পিত আক্রমণ। কর্তাদের মতে, হামলাকারীদের জানা ছিল না যে, ধৃত ৩ দুষ্কৃতী রয়েছে হাসপাতালে। তারা কুলপি থানায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছে ধরে নিয়েই জনতার রোষ গিয়ে পড়ে থানার উপরে।
এবং সেই ‘রোষের’ ধাক্কায় টালমাটাল হয়ে যায় নিরাপত্তা। সকাল তখন পৌনে ন’টা। বিশাল সশস্ত্র জনতা থানায় ঢুকে দরজা-জানলা-আসবাব-কম্পিউটার ভেঙে তছনছ করে। বেধড়ক মারধর করা হয় ওসি গৌতম চক্রবর্তীকে। তিনি ছাড়া কুলপি থানায় ছ’জন এসআই, ৯ জন এএসআই এবং ২২ জন কনস্টেবল রয়েছেন। কেউ সে ভাবে বাধা দিতে পারেননি। থানার ভিতরে বোমা ফাটানো হয়। স্প্লিন্টারের আঘাতে চার পুলিশকর্মী জখম হন, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মোটরবাইক-সহ থানার অন্তত কুড়িটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, এমনকী থানায় আগুন ধরানোরও চেষ্টা হয়। তবে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো একটা ঘরে তালা দেওয়া ছিল বলে লুঠ হয়নি।
এ দিকে একটি দল যখন থানায় তাণ্ডব চালাচ্ছে, তখন আর একটা দল চড়াও হয় থানার পিছনে পুলিশকর্মীদের দোতলা আবাসনে। সেখানে প্রায় কুড়িটি পরিবারের বাস। অভিযোগ, প্রতিটা ঘরে ঢুকে মহিলাদের নির্বিচারে মারধর করা হয়েছে। ওসি-র স্ত্রী পালিয়ে গেলেও বাকিরা পারেননি। এক পরিবারের পরিচারিকা মমতা খানের কথায়, “আমি কলে জল ভরছিলাম। কয়েক জন তরোয়াল নিয়ে দৌড়ে এল। আমি বালতি ফেলে ছুটে ঘরে ঢুকতে গেলে আমাকে হেনস্থা করল।” তিনি আরও জানাচ্ছেন, “টিউবওয়েলটাও ওরা গুঁড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে! বাচ্চাদের তুলে আছাড় মারতে যাচ্ছিল!”
জখম পুলিশকর্মী সমীর মোদক।—নিজস্ব চিত্র
গোলমাল শুধু ওই চত্বরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কেও। হামলাকারীদের একাংশ রাস্তা অবরোধ করে। গাড়ি ভাঙচুর হয়। আলিপুর থেকে পুলিশ নিয়ে কয়েকটা গাড়ি কুলপি আসার পথে সেই অবরোধে পড়ে। অভিযোগ, কচুবেড়িয়ার কাছে একটি পুলিশের গাড়ির চালক সমীর মোদককে নামিয়ে মারধর করা হয়। পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাও ছোটে। বেলা প্রায় বারোটা পর্যন্ত অবরোধ চলে।
কারা চালাল এমন হামলা?
তদন্তকারী অফিসারেরা জানাচ্ছেন, মূলত, রামনগর ও গাজিপুরের বহু বাসিন্দা এতে জড়িত। এ দিনই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি শুরু হয়েছে।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এ দিন বিকেলে কুলপিতে আসেন আইজি (দক্ষিণবঙ্গ) সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, ডিআইজি (প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ) সিদ্ধিনাথ গুপ্ত, পুলিশ সুপার লক্ষ্মীনারায়ণ মিনা, জেলাশাসক নারায়ণস্বরূপ নিগম এবং জেলা সভাধিপতি শামিমা শেখ। তাঁরা বৈঠকও করেন। আইজি (দক্ষিণবঙ্গ) বলেন, “পুলিশ সংযত আচরণ করেছে। পুলিশকে বলা হয়েছে, দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে। নিরীহের উপরে যাতে অত্যাচার না-হয়, তা খেয়ালে রাখতে।”
জেলাশাসক বলেন, “স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।”
সেকুলার আনন্দবাজার পত্রিকা যদি এই রিপোর্ট লিখতে বাধ্য হয়, তাহলে ভাবুন পরিস্থিতি কত ভয়ংকর ছিল | কতদিন এই মোল্লা তোষণ আর রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে পুলিশ – প্রশাসনকে বলি দেওয়া হবে ???

বরিষ্ট বাঙালি হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী অসীমানন্দের মুক্তির দাবিতে প্রচার ও স্বাক্ষর করুন …

Standard

বরিষ্ট বাঙালি হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী অসীমানন্দের মুক্তির দাবিতে প্রচার ও স্বাক্ষর করুন | হিন্দু আন্দোলনের জন্য দান ও সহযোগিতা করুন | 

~ উপানন্দ ব্রহ্মচারী 

পুরাতন একটি আবেদনে দীর্ঘ নয় মাসে স্বাক্ষর হয়ছিল মাত্র ৫০৫ | এইতো হিন্দুর প্রতি হিন্দুর টান | আবার নতুন আবেদন চালু করা হোলো |

খানে   ক্লিক করুন ও স্বাক্ষর করে আপনার প্রতিবাদ ধ্বনিত করুন  :  http://www.change.org/petitions/free-hindu-saint-swami-asheemananda

মঝোতা রেল, মালেগাঁও, মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ ইত্যাদির সঙ্গে অন্যায় ভাবে জড়িয়ে দিয়ে এই বাংলার বিশিষ্ট হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী অসীমানন্দ (যতীন চট্টপাধ্যায়) কে দীর্ঘদিন ধরে কারান্তরালে বন্দী করে রাখা হোয়েছে | সমঝোতা, মালেগাঁও, মক্কা মসজিদ প্রতিটি বিস্ফোরণের জন্য পূর্বেই তদন্ত করে উক্ত ঘটনাবলির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট কেসগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল | তারপর ভারতে ইসলামী সন্ত্রাসবাদের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায়, হটাত  করে এক “গৈরিক সন্ত্রাসবাদের” অবতারনায় একে একে ধরা হলো সাধ্বী প্রজ্ঞা আর স্বামী অসীমানন্দ প্রমুখ |

য়ত ২৬/১১ মুম্বাই বিস্ফোরণে পাকিস্তানি জঙ্গি কাসাব জ্যান্ত না ধরা পড়লে তাতে এই প্রমুখ হিন্দু সন্ন্যাসীদেরও জড়িয়ে দেওয়া হত | এই হলো হিন্দুদের প্রতি কংগ্রেসের সুবিচার | সাম্প্রদায়িক  কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী ষড়যন্ত্রে ও সমর্থনে দীর্ঘদিন জেলবন্দী  হয়েছিলেন কাঞ্চিপীঠের শঙ্করাচার্য জয়েন্দ্র সরস্বতী, খুন হয়েছিলেন উড়িষ্যার কন্ধমাল জেলার জনজাতি মানুষজনের ভগবান স্বামী লক্ষ্মনানন্দ সরস্বতী মহারাজ |

সেই একই গতিপথে আজ তিলতিল করে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বাঙালি হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী অসীমানন্দের বিরুদ্ধে |

স্বামী অসীমানন্দ (যতীন চট্টপাধ্যায়) শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্রী নন ( উদ্ভিদ বিদ্যায় স্নাতকোত্তর গবেষক), জনপ্রিয় শিক্ষক ও বিশিষ্ট সমাজসেবী | সমাজ গবেষনার সোপানে যিনি নিজেকে উত্সর্গীকৃত করেছেন সেবার মহান যজ্ঞে | রামকৃষ্ণ মিশনের কর্ম সাধনায় ব্যাপৃত থেকে নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুনাচল প্রদেশ, অসম সর্বত্র তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন শিব জ্ঞানে জীবের পূজায়, নর রূপে নারায়নের অর্চনায় | তারপর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের পূর্ব পরিচিত সুত্রে বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের অন্যতম স্তম্ভ স্বরূপ নির্মান করেছেন গুজরাটের শবরীধাম আশ্রম | ১৯৯২ -১৯৯৫ সময় সীমায় গুজরাটের ডাঙস,  ঝাড়খন্ড ও মহারাষ্ট্রের প্রতন্ত অঞ্চলে খ্রিস্টান মিশনারীদের সেবার আড়ালে ধর্মান্তরকরণের চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই |   ১৯৯৫ সালে তাকে ডাঙস থেকে উত্খাত করা হলেও সেখানকার জনজাতি মানুষজনের ভালবাসার ভিতের উপর তার সংগঠন সাম্রাজ্য বিস্তার করেছেন | ১৯৭৭ থেকেই বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের জন্য কাজ করে বাঁকুড়া ও  পুরুলিয়া জেলায় জনজাতি মানুষজনের মধ্যে হিন্দু স্বাভিমান জাগানোর কাজে তিনি পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করছিলেন |

কলের প্রিয়, নিরভিমানী, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সেই যতীনদা, স্বামী অসীমানন্দ (যতীন চট্টপাধ্যায়) আজ দীর্ঘদিন কারান্তরালে | আর বাঙালি হিন্দু সংগঠকরা নানা কর্মসূচিতে দারুন  ব্যস্ত | যারা তার কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে সংগঠনকে দাঁড় করিয়েছেন, তারা অনেকে জ্ঞান দিয়ে তার ‘ভুল’ আর ‘ঠিক’ পর্যালোচনার মধ্যে দিয়ে পাস কাটাতে চান |  আর শহরে – নগরে দেয়ালে দেয়ালে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বিনায়ক সেন আর ‘জঙ্গি মাওবাদী’  ছত্রধর মাহাতোর “মুক্তি চাই – মুক্তি চাই” পোস্টার পড়ে বেড়ান | কিন্তু একবারও বাংলার হিন্দু সংগঠন গুলো তাদের কর্মী-সমর্থকদের বলেনা – “অসীমানন্দ ও প্রজ্ঞা ভারতীর মুক্তি চাই ” বলে দুটো পোস্টার সাঁটাও | একজন বাঙালি সাধু অন্যায় ভাবে নির্যাতন ভোগ করছেন, তার জন্য বাঙালি সাধু সমাজ আর মূলত বাঙালি হিন্দু সাধুদের প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ ও গৌড়ীয় মঠ প্রভৃতির  মধ্যে ৮০ শতাংশ  সাধু, ব্রহ্মচারী আর ভক্ত শিষ্যরা জানেইনা কে এই অসীমানন্দ | সকলেই ফুল দিয়ে ঠাকুর সাজানো, ভক্তদের সাথে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলা, চাঁদা- মাধুকরী, ভান্ডারা, উন্মুক্ত সেবায় হিন্দু শত্রু গুলোকে আরো সুযোগ সুবিধা দেওয়া, বা তীর্থে গিয়ে থাকার জন্য উমেদারি করা ভক্তদের কাছে আর একটু বড় স্বামীজি হওয়ার সুযোগ গ্রহন ইত্যাদির মধ্যে সকলের  বেশ তো চলে যাচ্ছে  | অসীমানান্দের কি হলো, তাতে কার কি এলো গেল | আর গড় বাঙালি শিষ্য ভক্তরা তো গুঝ্য পক্ক |

য়া করে এই সমালোচনায় রেগে যাবেন না | আসুন এই মহান বাঙালি সন্ন্যাসী স্বামী অসীমানন্দজীকে মুক্তি প্রদানের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হই | এই লিঙ্কে [http://www.change.org/petitions/free-hindu-saint-swami-asheemananda] ক্লিক করে দু মাসে ১০০০০ স্বাক্ষর করে তা ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধান মন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠাতে সহায়তা করুন | পারলে এই লিঙ্কে [http://bengalspotlight.blogspot.com/2011/10/sign-campaign-to-free-swami.htmlগিয়ে কিছু আর্থিক সহায়তা করলে তা ঠিক জায়গামত পৌঁছোবে | আপনাদের সকলের সহযোগিতা প্রার্থনা  করছি |

এই ৫০০০০ অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ধরে বেঁধে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে কে ?

Standard

মিলনের হুজুগে বিপন্ন সার্বভৌমত্ব | অনুপ্রবেশ সম্পর্কে এই উদাসীনতা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হিন্দুকে শেষ করবে | 

~উপানন্দ ব্রহ্মচারী

টাকিতে ইছামতীতে চলছে প্রতিমা বিসর্জন।

“[আবহাওয়া ছিল উৎসবের। কিন্তু প্রশাসনের গা ছাড়া মনোভাবের সুযোগ নিয়ে তা পরিণত হল চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলায়। অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে লুঠপাট, তোলাবাজি, চুরি-ছিনতাইয়ের অবাধ ক্ষেত্র হয়ে উঠল শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে বিসর্জন উপলক্ষে দুই বাংলার মিলনোৎসব।

বিএসএফ, পুলিশ-প্রশাসনের চোখের সামনেই ট্রলার বজরা, লঞ্চ, ভুটভুটি ও ছোট নৌকা বোঝাই করে এ দিন ওপার থেকে আসা প্রচুর মানুষ ঢুকে পড়লেন এ পারে। এ পারে প্রচুর মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তাতেই চলল মদের আসর। চলল লুঠপাট, চুরি-ছিনতাই। শ্লীলতাহানির শিকার হলেন অনেকে। এক সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিও চালাতে হয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাঁরা শান্তিতে দুই বাংলা মিলনের উৎসব প্রত্যক্ষ করতে এসেছিলেন এমন পরিস্থিতিতে পড়ে প্রাম বাঁচাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তাঁরা। এমনকী অনেকের বিসর্জন দেখার ইচ্ছা থাকলেও ভয়ে ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের এবং বিএসএফের এ হেন গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ টাকির মানুষ দুই বাংলার মিলনের নামে এমন বিশৃঙ্খলা বন্ধ করার দাবিও তুলেছেন। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁরা জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা। টাকির ইছামতী নদীর বিভিন্ন ঘাটে তখন জমিদার বাড়ির প্রতিমা, বারোয়ারি প্রতিমা আনা হচ্ছে বিসর্জনের জন্য। ওপার থেকে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে, “একটু পরেই দুই বাংলা মিলবে। এই মুহূর্তটা আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের, গর্বের। আনন্দে সামিল হোন আপনারা। ঘোষণা শেষ হওয়ার আগেই দেখা গেল, ট্রলার, বজরা, লঞ্চ, ভুটভুটি ও ছোট নৌকা এদিকে আসতে শুরু করেছে। সবকটিতেই বোঝাই মানুষ। এ পারে ভিড়তেই হুড়মুড়িতে নেমে পড়লেন তাঁরা। পরের পর মানুষ বোঝাই নৌকা। যেন বিরাম নেই। নদীতে যথারীতি টহল দিচ্ছে বাংলাদেশ রাইফেলস এবং বিএসএফের স্পীডবোট। দুই পারেই রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ। কিন্তু নজর রাখা ছাড়া আর কিছুই করছেন না তাঁরা। যে দিকে তাকানো যায় শুধুই মানুষ। প্রতিমা তেমন চোখে পড়ল না।

এই দৃশ্য টাকিতে নতুন নয়। প্রতি বছর পুজোয় বিসর্জনে এটাই দেখা যায়। তবে, এ বার যেন ছিল লাগামছাড়া। কেন এতটা উন্মুক্ত সীমান্ত?

প্রতিমা নিরঞ্জনের আনন্দে সামিল হয়েছিলেন ওপারের সাতক্ষীরা জেলার দেভাটা, শাকদা, ভাতশালা গ্রামের করিম মোল্লা, লায়লা বিবি, খগেন মণ্ডল, মালবিকা মিস্ত্রীরা। তাঁদের কথায়, প্রতিবারই এমনটা হয়। তবে এ বার মানুষ বেশি এসেছেন বিজয়ার আনন্দে সামিল হতে। তবে এই সামিল হওয়ার ধাক্কায় এ পারে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে প্রশাসনিক পরিকাঠামো। ভিড়ের মধ্যে অবাধে চলতে থাকে চুরি-ছিনতাই, লুঠপাঠ। বিভিন্ন জায়গায় বসে যায় মদের আসর। শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে। আতঙ্কে অনেকে বাড়ি ফিরে যান। যাঁরা পরে বেরোবেন ভেবেছিলেন, তাঁরাও সব শুনে আর বাড়ি থেকে না বেরোনোর সিদ্ধান্ত নেন।

ওপার থেকে নৌকাবোঝাই করে আসা লোকজন আর ফিরে যায় নি |

টাকি নাগরিক কমিটির সম্পাদক এবং কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অজয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “দোকানে ঢুকে লুঠপাট, মারামারি করা হল। যত্রতত্র নোংরা আবর্জনায় ভরে গেল। এই অত্যাচার সহ্য করা যায় না। পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা ছিল নীরব দর্শকের। আর এরই সুযোগ নিয়ে মৈত্রীর নামে এ দেশে ঢুকে পড়ল হাজার হাজার মানুষ। এটা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। এমনটা যাতে আর না ঘটে সে জন্য আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছি।” টাকির পুরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা চাই না প্রতিমা নিরঞ্জনের নামে এমন অনুপ্রবেশ ঘটুক। পুলিশ-বিএসএফের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীদের অত্যাচার সীমা ছাড়ায়। বিষয়টি আমরা দিল্লিতে জানাব।”

এ ব্যাপারে বিএসএফের জনসংযোগ দফতরের (দক্ষিণবঙ্গ) এক আধিকারিক জানান, এ দিন নদীতে বিএসএফের যথারীতি টহলদারি ছিল। বিসর্জন দেখতে বাংলাদেশের প্রচুর মানুষ ইছামতীতে নৌকা নিয়ে নেমে পড়েছিলেন। এ পারে কেউ আসেননি। তবে অনুপ্রবেশের অভিযোগ যখন উঠেছে, তখন বিষয়টি অবশ্য তদন্ত করে দেখা হবে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করে বসিরহাটের এসডিপিও আনন্দ সরকার বলেন, “আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। তবে অন্যবারের চেয়ে এ বার বেশ ভিড় হয়েছিল। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখা হবে।”]”

~এই ছিল ৮ই অক্টোবরের (২০১১) আনন্দবাজার পত্রিকার মোটামুটি নিরপেক্ষ প্রতিবেদন |  শিরোনাম : ভিড়ের সুযোগ নিয়ে লুঠপাট-শ্লীলতাহানি, উঠল অনুপ্রবেশের অভিযোগও : টাকিতে বিসর্জনে বিশৃঙ্খলা নিয়ে অভিযুক্ত পুলিশ এবং বিএসএফ | 

কিন্তু ‘আর এস এস’ আর ‘বি জে পি’ পন্থীদের তোলা বাংলাদেশী অনুপ্রবেশের অভিযোগ যে এইভাবে সংস্কৃতি আর দু বাংলার মিলনের হুজুগে দিনে দুপুরে সত্যি প্রমানিত হবে, এটা বাজারী সাংবাদিকদের কল্পনাতীত | যতটা মোলায়েম উপস্থাপনা হয় সেই দিকে দৃষ্টি রেখে,এই অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা কতো, আনন্দবাজার সে বিষয়ে নিশ্চুপ |
…………….
৮ই অক্টোবরের বর্তমান সে বিষয়ে সত্যের কাছাকাছি পৌঁছতে সচেষ্ট হয়েছে এইভাবে | তাদের সংবাদ শিরোনাম হলো : দুই বাংলার মিলন উত্সবের সুযোগে বড় সংখ্যক বাংলাদেশী ঢুকে পড়ল পশ্চিমবঙ্গে | কিন্তু তার সংখ্যা কতো সেটা বোঝাতে গিয়ে সাংবাদিক মহাশয় যে শব্দগুলি ব্যবহার করেছেন তা হলো ‘বড় সংখ্যক’, ‘প্রচুর’,  ‘বিপুল’ বা ”ওপার থেকে আসা জলযান থেকে লোক নেমে ‘পিলপিল’ করে পাড়ে উঠে যায়” |
……………………..
এই অনুপ্রবেশের সংখ্যাটা ছাপার অক্ষরে পাওয়ার জন্য আমাদের আরো দুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে | ১০ই অক্টোবরের বর্তমান লিখেছে : ” অনুপ্রবেশকারীদের খোঁজে অভিযানে পুলিশ, ধৃত মাত্র ১ :  …. কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়ে জানিয়েছে যে, দশমীর দিন দুই বাংলার যৌথ মিলনের উত্সবকে ঢাল করে ৫০  হাজারেরও বেশি বাংলাদেশী এপারে এসে আর ফিরে যায়নি |” ….”দশমীর আগে কয়েকদিন আগে সীমান্তের গ্রামগুলিতে রীতিমত মাইক নিয়ে মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে ভারতে আসার জন্য ব্যাপক প্রচার চালানো হয় |” …… ” স্থানীয় সুত্রে খবর, সেদিন যারা অবৈধ ভাবে এদেশে ঢুকেছিল, তারা বসিরহাটে নেই | দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তারা ছড়িয়ে পড়েছে |”
………………..
এর আগেই বর্তমান লিখেছিল, (দশমীর দিন) ” রাস্তার উপর যেভাবে শ’য়ে শ’য়ে বেআইনি বিদেশী মুদ্রা বিনিময়ের টেবিল দেখা গেল, তাতে মনে হওয়া স্বাভাবিক , এই বিপুল অনুপ্রবেশ পূর্বপরিকল্পিত |”
………………..
বলা বাহুল্য, এই অনুপ্রবেশকারীদের ৯০ % হলো বাংলাদেশী মুসলমান এবং তাদের মধ্যে নাশকতাবাদী মুসলিম জঙ্গি  থাকার সম্ভাবনাকে আদৌ উড়িয়ে দেওয়া যায় না |
………………….
বাঙালি মুসলমানদের পশ্চিমবঙ্গ গ্রাসের ভয়ংকর বিষয়টিকে আমরা কখনো গুরুত্ব দিতে চাই না | আজকের বাংলাদেশী মুসলমানরা আমাদের কত ভালো প্রতিবেশী সে বিষয়ে আরো অনেকে গবেষণা চালাবেন | চালান, তাতে প্রশাসন, পুলিশ আর রাজনৈতিক নেতাদের কোনো আপত্তি নেই | কিন্ত ভারতের মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট অনুপ্রবেশের বিষয়টিতে কড়া মনোভাব ব্যক্ত করেছেন | অল ইন্ডিয়া লিগাল এইড ফোরামের সম্পাদক, সমাজমনস্ক ও জাতীয়তাবাদী বিশিষ্ট আইনজীবী জয়দীপ মুখার্জীর দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি জ্ঞানসুধা মিশ্র আদেশ দিয়েছেন, “যাতে প্রশাসন টাকিতে বিসর্জনের সময় ঢুকে পড়া অনুমিত ৫০ হাজারের বেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সকলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে” | সংবাদে প্রকাশ, বিজয়া দশমীর দিনে উত্তর ২৪ পরগনার টাকিতে দুই বাংলার দূর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় সুযোগ পেয়ে প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশী ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করাতে  ভারতের সুপ্রিম কোর্ট উদ্বিগ্ন |
…………………
জয়দীপ বাবু তার আবেদনে বলেছিলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের বিনা বাধায় ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া অপরাধ | অবৈধ বাংলাদেশীরা ঢুকছে আর পুলিশ প্রশাসন তা দাঁড়িয়ে  দাঁড়িয়ে দেখছে, তা বরদাস্ত করা যায় না | এতে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হচ্ছে |  শুধু  সন্ত্রাসবাদীর ভয় নয়, এই অনুপ্রবেশের ফলে দেশের জনসংখ্যার ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে |” (দৈনিক স্টেটসম্যান, ১৪/১০/২০১১)|
…………………
এতদিন এই কথাগুলো যারা বলতো, তারা অসাম্প্রদায়িক উদার  সাংবাদিক কুলের বিচারে ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক প্রাণী | এখন জয়দীপ বাবুকে কি বলা হবে ? আর এস এস /বি জে পি র এজেন্ট ! সে যাই হোক এখনো ৫০ হাজার  অনুপ্রবেশকারীর ৫ জনও গ্রেপ্তার হয়নি | তাহলে কি  কেন্দ্রীয় সরকারের (মনমোহন-সোনিয়া সরকার) অধীন বর্ডার সিক্যুরিটি ফোর্স আর রাজ্য সরকারের (মমতা ব্যানার্জী) পুলিশ প্রশাসন আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে চলেছেন ?
………………
অনুপ্রবেশ আর অনিয়ন্ত্রিত জন্মহার বৃদ্ধিকে হাতিয়ার করে বাঙালি মুসলমানরা বাঙালি হিন্দুদের দ্রুত সংখ্যালঘু করে দিতে চলেছে | 
……………….
আর আশ্চর্যের বিষয় হলো তবুও বাঙালি হিন্দু একই বৃন্তে দুটি কুসুম হওয়ার অলীক সাধনায় মত্ত থেকে সামনের বছর বিজয়া দশমীর দিন আরো পঞ্চাশ হাজার অনুপ্রবেশকারীর অভ্যর্থনার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে, তবু পাঁচশ সংখ্যায় জড়ো হয়ে লাঠি হাতে বিদেশী শত্রুর মোকাবিলা করবে না, দেশের মাটি আর সম্মান বাঁচানোর চেষ্টা চালাবে না |